hawker.com.bd
Advertisment
ডায়াবেটিস হলে সতর্ক হোন [ ] 2012-03-06
ডায়াবেটিস হলে সতর্ক হোন
অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ
বাংলাদেশে কিডনি রোগ ব্যাপকভাবে বিস্তারলাভ করছে। উন্নত বিশ্বেও এর বিস্তার অনেক। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বে এর হার ১১ শতাংশ, অর্থাত্ প্রতি ৯ জনের একজনই কিডনি রোগী। অস্ট্রেলিয়ায় এ হার ১৫ শতাংশ।

নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবের প্রদাহ
নেফ্রাইটিস কিডনির একটি প্রধান রোগ। যে কোনো বয়সে এ রোগ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ নিরাময়যোগ্য, জটিলতা হয় বড়দের ক্ষেত্রে। সাধারণত দুই ধরনের নেফ্রাইটিস হতে পারে। সংক্রামক এবং অসংক্রামক। শতকরা ২০ ভাগ সংক্রামক কারণে এবং ৮০ ভাগই অসংক্রামক কারণে হয়, যার কারণ এখনও অজানা। সংক্রামক কারণগুলো প্রতিরোধ বা প্রতিকার করা যায়। কিন্তু অসংক্রামক রোগের চিকিত্সা বেশ জটিল।

উচ্চ রক্তচাপ থেকে কিডনি রোগ
বেশিরভাগ মানুষের ধারণা উচ্চ রক্তচাপে উপসর্গ না হওয়া পর্যন্ত চিকিত্সার দরকার নেই। অনেকের ধারণা, সামান্য উচ্চ রক্তচাপে ওষুধ না খাওয়াই ভালো। আবার কারও ধারণা, ওষুধ সেবন করে যখন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে তখন ওষুধ না খেলেই ভালো। আবার অনেকে মনে করেন, সারা জীবন একই ওষুধ খেলে শরীরে অনেক ক্ষতি হতে পারে। আসলে এগুলো ভুল চিন্তা। এতে রক্তচাপ সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়। এর ফলাফল হিসেবে পরবর্তী সময়ে কিডনি অকেজো হতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ এমন একটি রোগ, যার আট শতাংশের কোনো উপসর্গই থাকে না। শুধু রুটিন রক্তচাপ পরীক্ষা করেই তা বোঝা যায়। সুতরাং যার বয়স ৩০-এর ঊর্ধ্বে, বংশে উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে বা কিডনি রোগ রয়েছে, তাকে অবশ্যই বছরে অন্তত দু’বার রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপের চিকিত্সা
উচ্চ রক্তচাপকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
স্বাভাবিক : ১২০/৮০ মি.মি. অব মার্কারির নিচে
উচ্চ রক্তচাপের পূর্বাভাস : ১২০-১৩৯/৮০-৮৯ উচ্চ রক্তচাপ স্টেজ-১ : ১৪০-১৪৯/৯০-৯৯
স্টেজ-২ : ১৬০/১০০-এর ওপরে।
ওপরের রক্তচাপকে বলে সিস্টোলিক এবং নিচের রক্তচাপকে বলে ডায়াস্টোলিক। যখন রক্তচাপের পূর্বাভাস লক্ষ করা যায়, তখন থেকে চিকিত্সা শুরু করা প্রয়োজন এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন করে লবণ পরিহার করে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হেঁটে বা ব্যায়াম করে, ওজন বেশি থাকলে তা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু স্টেজ-১ বা ২ হলে তা ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
বলা হয়, ডায়াবেটিস সব রোগ ডেকে আনে। কথাটা কিন্তু সত্য। তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা কিডনি রোগ থেকে বাঁচতে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে মারাত্মক নয়। শুরুতে শনাক্ত করা গেলে বেশিরভাগ রোগই প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য কারও কিডনি রোগ হোক বা না হোক, তার প্রস্রাব ও রক্তের কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে জানা সম্ভব কিডনি রোগ হয়েছে কিনা। তবে কিডনি রোগ হওয়ার আগে সচেতন হওয়া প্রতিটি মানুষের জন্যই জরুরি।

লেখক : অধ্যাপক
কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউট
সাবেক পরিচালক, নিকডু
 

Shipping

• বন্দরে পড়ে আছে ১৫০ ফলভর্তি কনটেইনার আসিফ সিদ্দিকী
• তিন দিন বন্ধের কবলে বেনাপোল স্থলবন্দর
More

Today's Events

• আজকের দিনে
• আজকের ছবি ২৪-১১-২০১২
More

Garments

• বাংলাদেশের পোশাক কারখানা নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ সিবিএস নিউজের
• গার্মেন্ট কারখানায় ছদ্মবেশে মার্কিন সাংবাদিক
More
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• গর্ভবতীর জন্য আয়োডিন জরুরি
• ছত্রাকের প্রিয় জায়গা পা!
• এক বছরের শিশুর মুখেই শক্ত খাবার!
• গরমে ঠান্ডা-সর্দি-জ্বর?
• যক্ষ্মা সারাবে ভিটামিন সি
• কফি পান লিভার রোগের ঝুঁকি কমায়
More
Related Stories
• ডায়াবেটিস:কিডনি সুরক্ষা চাই
• ডায়াবেটিস ও ডেন্টাল জটিলতা
• জাতিভেদে ডায়াবেটিসের হারে ভিন্নতা
• ডায়াবেটিসে খাবার সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা
• মুখের ঘা ও ডায়াবেটিস
• লো-জিআই চাল ও ডায়াবেটিস
• ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরামার্শ
• ডায়াবেটিসে নতুন ওষুধ
• ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার
• রূপচর্চায় ডায়াবেটিসের ঝুঁকি!
 
 
 
News Source
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits /Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2009-2010, Allright Reserved
free counters