[ ] 2012-03-19 |
|
|
 |
|
সাদা চালে ডায়াবেটিস |
 |
শহুরে জীবনে এসে আমরা গাঁয়ের সেই ঢেঁকিছাঁটা চালের কথা ভুলতে বসেছি। গ্রামেও এখন ঢেঁকিছাঁটা লাল চাল উধাও করে দিচ্ছে সরু লম্বা কাট-ছাঁটের সাদা চাল। আর বিপত্তিটা এখানেই। এই সাদা চাল খাওয়ার কারণে মানুষের দেহে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়ছে সমানতালে। সম্প্রতি আমেরিকা, চীন, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাড়ে ৩ লাখ লোকের ওপর চালানো পৃথক চারটি গবেষণায় এ তথ্যের প্রমাণ পেয়েছেন। খবর ডেইলি মেইল অনলাইনের। আমেরিকার গবেষকরা চারটি গবেষণা মিলিয়ে বলেছেন, মানুষ যত সাদা চাল খাবে, তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তত বাড়বে। আর এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত মিলিত গবেষণাপত্রে গবেষকরা জানান, পশ্চিমা বিশ্বের চেয়ে এশিয়ানরা বেশি পরিমাণে ভাত খেয়ে থাকেন। এশিয়ানরা দিনে গড়ে ৩ থেকে ৪ বার ভাত খান, যেখানে পশ্চিমারা খেয়ে থাকেন সপ্তাহে এক বা দু'বার। বোস্টনে হার্ভার্ড গণস্বাস্থ্য স্কুলের গবেষক ড. কি সান বলেন, প্রতিবেলা খাবারে সাদা চালের ভাত যতটা উপকার দেয়, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি লক্ষণীয়ভাবে বাড়িয়ে দেয় তার চেয়ে বেশি। তাই এটি সম্ভবত ভালো যে, কালেভদ্রে সাদা চালের ভাত খাওয়া যেতে পারে। এদিকে সাদা চালের ভাত ডায়াবেটিসের সঙ্গে কীভাবে সম্পৃক্ত_ এ বিষয়ে গবেষকরা জানান, রক্তে চিনি বা শর্করার মাত্রার ওপর সাদা চালের ভাত কতটা প্রভাব ফেলে, তার ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে। সাদা চালের ভাতে গ্গ্নাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) উচ্চমাত্রার অর্থাৎ খাওয়ার পর গ্গ্নুকোজ অতি দ্রুত রক্তে মিশে যায়। কিন্তু বাদামি বা লাল চালের ভাতে তা মেশে আস্তে-ধীরে। এতে রক্তে গ্গ্নুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। এছাড়া সাদা চালে আঁশ ও ম্যাগনেশিয়াম পরিমাণে কম থাকে। আর এ উপাদানগুলো ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক। |
| |
|
| |