[ শিল্প বাণিজ্য ] 2012-05-01 |
|
|
 |
|
এবার হরতালেও পুঁজিবাজার চাঙ্গা : সূচক বাড়ল ৮৮ পয়েন্ট |
 |
হরতালের দ্বিতীয় দিনে গতকাল ঢাকার পুঁজিবাজার ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সঙ্গে লেনদেনসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শেষে সূচক প্রায় আগের দিনের চেয়ে ৮৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯৯ পয়েন্টে থামে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাইলেই বাজার চাঙ্গা রাখা যায় তা হরতালের দ্বিতীয় দিনে প্রমাণ হলো। তারা বলছেন, উড়োচিঠির মতো বাতাসে ভেসে বেড়ানো গুজবগুলোই মূলত বাজার পতনের মূল কারণ। এদিকে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের সভাপতি মিজান-উর রশিদ চৌধুরী দৈনিক সংবাদকে জানিয়েছেন_ আগামী ২১ মে'র মধ্যে পরিচালকরা নির্ধারিত শেয়ার ক্রয়ে ব্যর্থ হলে তাদের অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। যদি তা না হয় তাহলে বাজার আবার পতনের পথ ধরতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছেন তিনি। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই অধিকাংশ সদস্য লগইন করায় গতকাল যথাসময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়। এরপর থেকে সাধারণ সূচক ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে। লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক প্রায় ৮৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯৯ পয়েন্ট হয়েছে। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৪টির, কমেছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৫টির। লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪৪৮ কোটি টাকার শেয়ার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত রোববার সপ্তাহের প্রথমদিন লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক কমে প্রায় ১৫২ পয়েন্ট। লেনদেন হয় প্রায় ৪৩০ কোটি টাকার শেয়ার। গত সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে ২০৪ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। দৈনিক গড় লেনদেন কমে দাঁড়ায় ৭৬১ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ২১ কোটি টাকা। বাজারচিত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ডিএসই'র সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪ পয়েন্টে নেমে আসে। পরের ৫ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৮ পয়েন্টে উঠে আসে। পরবর্তীতে বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসই'র সাধারণ সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪০ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় ১৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৫১ পয়েন্টে, পৌনে ১টায় ১২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৩৫ পয়েন্টে, ১টায় ১৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৫৬ পয়েন্টে, দেড়টায় ১৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে স্থির হয়। লেনদেনের শীর্ষে ১০ প্রতিষ্ঠান হলো_ যমুনা অয়েল, গ্রামীণফোন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বেক্সিমকো, বেক্সিমকো ফার্মা, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, স্কয়ার ফার্মা, এমজেএল বিডি, তিতাস গ্যাস এবং জিপিএইচ ইস্পাত। দর ধরে রাখতে সক্ষম শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স, আইডিএলসি, অগি্নসিস্টেমস লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, কোহিনুর কেমিকেল, উসমানিয়া গ্লাস, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স, কনন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ও ওরিয়ন ইনফিউশনস লিমিটেড।
|
| |
|
| |