আর প্রায় দু'মাস পরই রমজান। তখন রোজার অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে খেজুর। বাজার সয়লাব হয়ে যাবে খেজুরে। খেজুর শুধু রোজায় নয়, সারাবছরই খাওয়া যায়। ফলটি পুষ্টিগুণেও দারুণ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। পুষ্টিবিদরা বলেন, খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, সালফার, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এসব উপাদান মানব স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বলা হয়ে থাকে, সুষম ও স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েটের জন্য প্রতিদিন একটি করে খেজুর খাওয়া প্রয়োজন। এ ফলটি অনেকভাবেই খাওয়া যায়। মুখে দিয়ে সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন খাবার আইটেমের সঙ্গে খেজুর খাওয়া যায়। খাবারের পর পরিবেশিত নানা ফলমূল, মিষ্টান্ন, আইসক্রিম অথবা ডেজার্টে খেজুরের উপস্থিতি প্রায় অবিচ্ছেদ্য। এমনকি টমেটো বা তেঁতুলের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে চমৎকার চাটনিও তৈরি করা যায়। স্ন্যাকসেও খেজুরের মিষ্টি উপস্থিতি রয়েছে।
খেজুর নরম ও সহজপাচ্য আঁশসমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ফ্রুকটোজ ও ডেক্সট্রোজ জাতীয় চিনি। খেজুর খাওয়া মাত্র প্রাণপ্রাচুর্য, শক্তি ও উদ্যম দেখা দেয় শরীরে। ঠিক এ কারণেই সকালের নাস্তায় খেজুরের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়। রোজার সময় দেখা যায় ইফতারে। কোলেস্টেরল কমানো, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধেও এর ভূমিকা অনবদ্য। ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ফলটি ত্বক, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি, ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধে দারুণ উপকারী। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।