রেলের জন্য মালয়েশিয়া থেকে ২০০ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। মালয়েশিয়ার অবকাঠামো-বিষয়ক বিশেষ দূত দাতো সেরি এস সামি ভেল্লুর সঙ্গে রেলভবনে বৈঠকশেষে গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন যোগাযোগ ও রেলপথমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, মালয়েশিয়ার কোচ আধুনিক মানের। এ দেশের রেল ট্র্যাকে তা চলবে কি না, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য আগামী মাসে মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞ দল ঢাকায় আসবে। তাদের পর্যবেক্ষণের পর বাংলাদেশ থেকেও একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়া যাবে। উভয় দেশের আলোচনাশেষে কোচ সরবরাহে চুক্তি হবে। মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ট্র্যাকে মালয়েশিয়ার কোচ চালানো সম্ভব না হলে নতুন ট্র্যাক আনা হবে। চুক্তির ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে কোচ সরবরাহ করবে দেশটি। এ ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার ঋণে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কোচগুলো সংগ্রহ করা হবে। ভারতের ডলার ক্রেডিট লাইন চুক্তির আওতায় মিটার গেজ কোচ সরবরাহ করতে না পারায় বিকল্প উত্স সন্ধান করা হচ্ছে। রাজধানীতে মালয়েশিয়া মনোরেল করতে আগ্রহী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী মাসের তৃতীয় সপ্তাহে সামি ভেল্লু আবার বাংলাদেশে আসবেন। ওই সময় মনোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দেশটির একটি বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দলও বাংলাদেশে আসবে। জাপানি ঋণদানকারী সংস্থা (জাইকা) রাজধানীতে মেট্রোরেল নির্মাণ করবে। এরপর মনোরেল কীভাবে করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জাইকা ৪, ৫ ও ৬ এ তিনটি ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইনের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। এর মধ্যে জাইকা শুধু এমআরটি-৬ বাস্তবায়ন করছে। আর মালয়েশিয়া এমআরটি লাইন-৫-এর নির্মাণে আগ্রহী। তাই এর মধ্যে কোনো জটিলতার সম্ভাবনা নেই।