[ ] 2012-05-30 |
|
|
 |
|
জাতীয় ক্ষুদ্রঋণ সম্মেলন আজ |
 |
অর্থনৈতিক রিপোর্টার: আজ ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় ক্ষুদ্রঋণ সম্মেলন-২০১২’ শুরু হচ্ছে। এটিই হবে দেশের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম জাতীয় সম্মেলন। সকালে এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। আর বিকালে সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, বিআইডিএস-এর মহাপরিচালক মোস্তফা কে মুজেরী, এমআরএ-এর নির্বাহী সহসভাপতি খন্দকার মাজহারুল হক। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) থেকে নিবন্ধিত ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ), বাংলাদেশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে সিডিএফের কোষাধ্যক্ষ এ এন এম ইমাম হাসানাত, গভর্নিং বডির সদস্য সুখেন্দ্র কুমার সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী সংস্থাগুলো এমনভাবে কাজ করছে যে বড় কোন ধরনের দুর্যোগ না আসলে আগামী ৫-৬ বছরের মধ্যে দেশে দারিদ্র্যসীমার হার ২০%-এর নিচে নেমে আসবে। বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ২ কোটি পরিবার। এসব পরিবারকে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে গ্রাহকদের কাছে ঋণ রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। সিডিএফের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক বছর ধরে দেশে যে দারিদ্র্য কমছে তার পেছনে ক্ষুদ্রঋণের অবদানের কথা স্বীকার করেছে সরকারি এ সংস্থাটি। এখন ২ কোটি পরিবার এসব সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জানান, পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণের প্রভাব শতকরা ১২%। আর কৃষিখাতে ক্ষুদ্রঋণের অবদান ২৯ ভাগ। ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী সংস্থাগুলো যেভাবে কাজ করছে তাতে বড় ধরনের দুর্যোগ না হলে দারিদ্র্যের হার ২০%-এর নিচে নামিয়ে আনতে ৫-৬ বছর সময় লাগবে। |
| |
|
| |