স্মার্টফোন তৈরিতে জন্য মিয়ানমারের দিকে নজর দিচ্ছেন নির্মাতারা। এটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় দুর্লভ খনিজ পদার্থ দেশটিতে পাওয়া যায়। তাই প্রযুক্তি খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান চীনের বিকল্প হিসেবে মিয়ানমারে বিনিয়োগের কথা ভাবছে। মিয়ানমারে জিনোটাইন, মনোজাইট, কলিউবাইট ও টেনটালাইটের মতো দুর্লভ খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। বর্তমানে দুর্লভ খনিজ পদার্থ উত্পাদনে চীন একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছে। এ ক্ষেত্রে বাজারের ৯৫ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে দেশটি। চীনের শ্রমমূল্য সস্তা হওয়ায় এবং পরিবেশদূষণের ওপর কড়াকড়ি বিধি-নিষেধ না থাকা— দুর্লভ খনিজ সম্পদের বাজারে দেশটির একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করছে। মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট থেইন শেন কর্তৃক রাজনৈতিক সংস্কারের কারণে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা এখন দেশটিতে বিনিয়োগে আগ্রহী। ২০১০ সালে খনিজ সম্পদের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া মিয়ানমারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল। স্মার্টফোন ও হাইব্রিড কারসহ অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে দুর্লভ খনিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া কম্পিউটারের ডিস্ক, টিভি স্ক্রিন ও মাইক্রোফোন তৈরি করতে এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে নির্দেশনা দিতে দুর্লভ খনিজ ব্যবহার করা হয়।