আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমার আশংকা বিশ্বব্যাংকের [ খবর ] 11/01/2017
আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমার আশংকা বিশ্বব্যাংকের
চলতি বছর হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ
চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। রেমিটেন্স কমে গিয়ে ব্যক্তি খাতে ভোগ হ্রাস এবং বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও কমবে। মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৭ শতাংশে দাঁড়াবে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি হিসেবে রাজস্ব ভারসাম্যহীনতা এবং আর্থিক ও কর্পোরেট

ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা কমে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি অর্থবছর দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান হবে তৃতীয়। প্রথম অবস্থানে থাকবে ভুটান। ২০১৭ সালে (ক্যালেন্ডার ইয়ার) দেশটির প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ। অন্য দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হবে চলতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ, নেপালের ৫ দশমিক শূন্য শতাংশ, শ্রীলংকার ৫ দশমিক শূন্য শতাংশ, মালদ্বীপের ৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং আফগানিস্তানের ১ দশমিক ৮ শতাংশ।
আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছর এ অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হবে ৭ দশমিক ১ শতাংশ। ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

অভ্যন্তরীণ ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষেত্রে রাজস্ব ভারসাম্যহীনতা, আর্থিক ও কর্পোরেট ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা কমে যেতে পারে। পাকিস্তান ও শ্রীলংকার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা রয়েছে। এ ছাড়া রাজনৈতিক দুশ্চিন্তা পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে পেছনে ঠেলে দিতে পারে।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চলতি অর্থবছর ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা করা হয়েছে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• দুর্নীতির কারণে জিডিপিতে নেই বছরে ১৮ হাজার কোটি টাকা
• স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা গেলে প্রবৃদ্ধি ৮-১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব : অর্থমন্ত্রী
• এডিপি সংশোধনে গুরুত্ব পাচ্ছে ১১ বিষয়
• ২০১৫ সালে জিডিপির ৬.২% এসেছে মোবাইল খাত থেকে
• ছয় বছরে রাজস্ব আদায়ে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি
• জিডিপিতে মোবাইলের অবদান হবে ১৭০০ কোটি ডলার
• মধ্যপ্রাচ্যসহ সব দেশ থেকে রেমিটেন্স কমেছে
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters