একমাসে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৭২ পয়েন্ট [ শিল্প বাণিজ্য ] 12/01/2017
একমাসে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৭২ পয়েন্ট
ডিএসইর লেনদেন সতেরশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে
পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ছে তো বাড়ছেই। সঙ্গে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণ। এতে বাজারে লেনদেন ও সূচক কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চতে উঠে এসেছে। গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে সতের’শ কোটি টাকারও বেশি। যা গত সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক উঠে এসেছে ৫ হাজার ৩৩৩ পয়েন্টে। যা আর মাত্র ১ পয়েন্ট বাড়লেই চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চতে উঠে যাবে ডিএসইএক্স। গত এক মাসেই ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৭২ পয়েন্ট।

একাধিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরেছে। তাই নতুন বিনিয়োগ আসছে। এতে করে বাড়ছে লেনদেন ও সূচক। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে ইতিবাচক মন্তব্য কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত আগামী দুই বছরের মধ্যে বাজার শক্তিশালী অবস্থানে যাবে বলে জানিয়েছেন। ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকও আশা প্রকাশ করেছেন আগামী দুই বছরের মধ্যে বাজারের মূলধন দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়বে। এ বিষয়গুলো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত তিন মাস ধরে পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এ সময়ে ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিগুলোর সাথে সাথে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বরং বেশি বেড়েছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের সাবধানে বিনিয়োগ করতে হবে। যে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে এখনও নিচে রয়েছে এবং মৌলভিত্তি বিবেচনা করেই বিনিয়োগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, ডিএসইএক্স যাত্রা শুরু করেছে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি। এর মধ্যে এই সূচক ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৩৪ পয়েন্টে উঠেছিল। গতকাল এ সূচক ৫৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৩৩ পয়েন্ট উঠে এসেছে। ফলে আর এক পয়েন্ট বাড়লেই ডিএসইএক্স সর্বোচ্চতে পৌঁছে যাবে। তবে ২০১০ সালে বাজার বুমের (বাজারস্ফীতি) সময় ডিএসইএক্স ছিল না। তখন ছিল ডিজেন। ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে ১ হাজার ৭০৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা গত সাড়ে ৫ বছর বা ২০১১ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন। ডিএসইতে ৩২৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। আর ১১৭টি কোম্পানির দর কমেছে।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। এদিন কোম্পানির ৯১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইফাদ অটোসের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ৩০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে আমান ফিডের শেয়ারে। এদিন অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক ৯৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৩০ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে ৯৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• তিতাসের বিতরণ মার্জিন বাড়ছে না
• উভয় শেয়ার বাজারে সূচক বেড়েছে
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters