Hawker.com.bd     SINCE
 
 
 
 
এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা [ শেষ পাতা ] 12/01/2017
এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
আবু আলী :

বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক লিমিটেডের অফশোর ইউনিটের মাধ্যমে অর্থ পাচারের সত্যতা মেলায় ব্যাংকের বিজনেস হেড, উপ-মহাব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী গত বছরের ৮ নভেম্বর ডেপুটি গভর্নরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই বৈঠকে ঋণ সংক্রান্ত ঝুঁকিসমূহ সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করা, অপর্যাপ্ত জামানত, স্বল্প ইক্যুইটি, ব্যবসায়িক সক্ষমতা যাচাই না করা, নেতিবাচক ক্রেডিট রিপোর্ট যাচাই-বাছাই না করেই তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ায় এবি ব্যাংক লিমিটেডের বিজনেস হেড, উপ-মহাব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নির্দেশনার আলোকে দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সিঙ্গাপুরে অবস্থিত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর অস্তিত্ব এবং ঋণের অর্থের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগকে (বিএফআইডি) অনুরোধ করা হয়েছে।

একটি সূত্র জানায়, অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভুয়া সরবরাহ আদেশ ও ঋণের আড়ালে বিদেশি স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে সন্দেহের বিষয়টি তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তা জানাতে বলেছে সংসদীয় কমিটি। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগের পরিদর্শনে সন্দেহের বিষয়টির সত্যতা মেলে। পরিদর্শন রিপোর্টে বলা হয়েছে, সন্দেহজনক ঋণসমূহের ঋণ প্রস্তাবের যথাযথ বিচার বিশ্লেষণ করা হয়নি। ইক্যুইটির তুলনায় বেশি ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। জামানত অপর্যাপ্ত ছিল। ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সর্বোপরি ঋণের আড়ালে বাংলাদেশি স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে এসব অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে ধাণা করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়ার পরিমাণ ছিল ৫৫ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন বিভাগ পরিদর্শন করে দেখতে পায়, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে এবি ব্যাংক লিমিটেড অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট গ্লোবাল মি জেনালের ট্রেডিং এলএলসিকে ১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সিমেট সিটি জেনালে ট্রেডিং এলএলসিকে ২৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, এটিজেড কমিউনিকেশনস পিটিই লিমিটেডকে ১০ মিলিয়ন এবং ইউরোকারস হোল্ডিং পিটিই লিমিটেডকে ১৪ দশমিক ৪০ মিলিয়ন স্পেসিফিক ডিল বেসিস এক বছর মেয়াদি নন-রিভোলিং ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হয়।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর পর তিন দফায় চিঠি দিয়ে নির্দেশনা দেওয়ার পরও ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের বিপরীতে আদায়ের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত ২৯ ডিসেম্বরের পর বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
জানা গেছে, গেল বছরের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিমেট সিটি জেনারেল ট্রেডিং এলএলসির সুদসহ বকেয়ার পরিমাণ ২২ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন ডলার। কোম্পানির কাছে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। পরিশোধ করেছে মাত্র ৯ দশমিক ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটিজেড কমিউনিকেশনস পিটিই লিমিটেডের কাছে সুদসহ বকেয়ার পরিামণ ৭ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিটি পরিশোধ করেছে ৪ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার। আর ইউরোকারস হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেডের কাছে সুদসহ বকেয়ার পরিামণ ৯ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে কোম্পানিটি পরিশোধ করেছে ৬ দশমিক ৪ ডলার।
News Source
 
 
 
 
Today's Other News
• ১৪ মাসে পাঁচবার এমডি বদল
• ঋণপ্রবাহ বাড়াতে প্রভিশন কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
• বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো পিএনবিতেও সমন্বয়হীনতার সুযোগ নেয় অপরাধীরা
• আঁতুড়ঘরেই ছিল বাদুড়ের ছায়া
• ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারিতে দায়ীরা ছাড় পাবে না :বাণিজ্যমন্ত্রী
• ঋণের আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোতে মন্ত্রণালয়ের চিঠি
• ব্যাংক আমানত নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড
• সোনালী ব্যাংকের তিনটি নিয়োগ পরীক্ষা শিগগিরই
• ই-কমার্স খাতে বিনিয়োগে ব্যাংকের অনাগ্রহ
• আগ্রাসী ঋণে লাগাম টানার সময়সীমা শিথিল
More
Related Stories
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
 
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters