বৈশ্বিক মোবাইলফোন গ্রাহক ৫০০ কোটি! [ ] 13/03/2017
বৈশ্বিক মোবাইলফোন গ্রাহক ৫০০ কোটি!
আহমেদ ইফতেখার :

টেলিযোগাযোগ শিল্পের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএর ‘মোবাইল ইকোনমি’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী সেলফোন সংযোগ ব্যবহারকারীর সংখ্যা চলতি বছরের প্রথমার্ধেই ৫০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। চলতি দশকে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার তিন-চতুর্থাংশ সেলফোন সংযোগসেবার আওতাভুুক্ত হবে। সাবস্ক্রাইবার প্রবৃদ্ধিতে এ সময় সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে এশিয়ার টেলিযোগাযোগ বাজার। ২০২০ সাল নাগাদ শুধু ভারতের বাজার থেকে ৩১ কোটি নতুন স্বতন্ত্র সেলফোন সংযোগ ব্যবহারকারী যুক্ত হবে। জিএসএমের মহাপরিচালক ম্যাটস গ্রানরিড বলেন, একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। খাতটি ঘিরে অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হচ্ছে নিয়মিত। বৈচিত্র্য ও নানা উত্থান-পতনের মধ্যেও এ খাত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সেলফোন এখন বৈশ্বিক প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ সেলফোনসেবা পাচ্ছে। মোবাইল ডিভাইসে এখন নিত্যনতুন প্রযুক্তির সংযোজন হচ্ছে। বাজেটসাশ্রয়ী ও সহজলভ্যতার কারণে উন্নয়নশীল বিশ্ব অ্যাডভান্সড মোবাইল প্রযুক্তির কল্যাণে উপকৃত হচ্ছে। ডিজিটাল ইকোনমিতে সাধারণের উপস্থিতি এবং আর্থসামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অংশগ্রহণ বাড়ছে। ‘মোবাইল ইকোনমি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে স্মার্টফোন ও দ্রুতগতির সংযোগ-সুবিধার সর্বব্যাপ্তিতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল রূপান্তর-প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে মোবাইল প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দ্বার উন্মোচন করেছে।
জিএসএমের প্রতিবেদনে মোবাইল ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ও স্মার্টফোন ব্যবহারে ধারাবাহিক পরিবর্তনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে দ্রুতগতির নেটওয়ার্কসেবা ব্যবহারের যে প্রবণতা, তা পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্কসেবা ফাইভজি চালুর পথ সম্প্রসারণ করছে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, নতুন কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নে মোবাইল শিল্পের অবদান দিনকে দিন বাড়ছে।
জিএসএমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সাল শেষে বিশ্বব্যাপী স্বতন্ত্র মোবাইল সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ৪৮০ কোটি ছাড়িয়েছে এবং সিম সংযোগ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯০ কোটি। সেলফোন সংযোগ সংখ্যার ৫৫ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। ২০২০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা তিন-চতুর্থাংশে পৌঁছবে। বর্তমানে বৈশ্বিক মোবাইল সাবস্ক্রাইবার সংখ্যার ২৩ শতাংশ ফোরজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। গত বছর বিশ্বব্যাপী মোট ১৮৮টি দেশে ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্কসেবা চালু হয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ ফোরজি নেটওয়ার্কসেবার আওতায় এসেছে। জিএসএমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রথম ফাইভজির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ বৈশ্বিক জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশকে দ্রুতগতির ফাইভজি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা সম্ভব হবে। আর এ সময় ফাইভজি সেলফোন সংযোগ সংখ্যা ১১০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• চার কোম্পানি চালাবে সব মোবাইল টাওয়ার
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters