বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থ পাচার বন্ধ করতে হবে [ শিল্প বাণিজ্য ] 19/05/2017
মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রতিবেদন
বিনিয়োগ বাড়াতে অর্থ পাচার বন্ধ করতে হবে
বিদ্যুত্ ও জ্বালানির অভাব প্রবৃদ্ধি অর্জনে বড় বাধা
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) ত্রৈমাসিক (জানুয়ারি-মার্চ) অর্থনৈতিক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্ভাবনা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারছে না। অবকাঠামোর স্বল্পতা, উদ্যোক্তাদের আস্থার অভাব এবং বিদ্যুত্ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বার্ষিক মোট দেশজ উত্পাদন (জিডিপি) কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়ছে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হতে হলে বর্তমানের বিনিয়োগ দিয়ে হবে না, বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক বাড়াতে হবে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি বছর ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এ প্রবৃদ্ধির জন্য জিডিপির ২৩ দশমিক ৯০ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন। সরকারি বিনিয়োগ হতে হবে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। কিন্তু বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে বিনিয়োগের পরিমাণ তা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাই দেশি, বিদেশি বিনিয়োগে গতিশীলতা আনা ছাড়া উপায় নেই। এমসিসিআই বলছে, বিনিয়োগ বাড়াতে হলে সরকারের কিছু সেবা সহজলভ্য করতে হবে। বিশেষ করে ব্যাংকিং সেবা, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় সরকারের সহযোগিতা বাড়াতে হবে। আর শিক্ষা ব্যবস্থা হতে হবে কর্মসংস্থানমুখী। তাছাড়া বিনিয়োগ বাড়াতে হলে অর্থ পাচার বন্ধ করতে হবে। এজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিদ্যুত্ খাত প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ প্রান্তিকে বিদ্যুত্ সরবরাহ বেড়েছে তবে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে তার চেয়েও বেশি হারে। বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতা বেশি থাকলেও প্রকৃত উত্পাদন হচ্ছে অনেক কম। এর বড় কারণ হলো— গ্যাসের সরবরাহ কম থাকা এবং কিছু বিদ্যুত্ কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার জন্য বন্ধ থাকা।

অর্থনীতির সার্বিক দিক ভালো বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো ইতিবাচক প্রবণতায় রয়েছে। মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে এবং রিজার্ভও বাড়ছে। এ প্রান্তিকে শিল্প খাত ভালো করলেও অবকাঠামোর সমস্যা, বিদ্যুত্ ও জ্বালানির সংকট রয়েই গেছে। বর্তমানে সময় এসেছে সরকারকে অর্থ পাচার বন্ধে কঠোর হওয়ার। দীর্ঘদিন ধরেই বলা হচ্ছে, বড় অংকের অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তা বন্ধে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ফলে বিনিয়োগ ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সরকারকে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• বাংলাদেশ তিন সূচকেই এগিয়ে
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters