বেনাপোলে রাজস্ব বেড়েছে ১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা [ শিল্প বাণিজ্য ] 31/05/2017
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাস
বেনাপোলে রাজস্ব বেড়েছে ১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা
৩ হাজার ৩শ মেট্রিক টন পণ্য বেশি আমদানি
দেশের বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ৭১১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই হাজার ৮৩৬ কোটি চার লাখ টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে চার হাজার ৫৪৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এ সময় এক লাখ তিন হাজার ৩০০ মেট্রিক টন পণ্য বেশি আমদানি হয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে আমদানি হয়েছিল সাত লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৮ মেট্রিক টন পণ্য। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে আমদানি হয়েছে আট লাখ ৬১ হাজার ৯৪ মেট্রিক টন।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, আমদানিকারকরা কমপক্ষে দু’মাস আগে পণ্যের আমদানির এলসি খুলে থাকেন। যে কারণে গত মাসে ঘোষণা করা পণ্য তারা আনতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু কাস্টম জোর করে আমদানি করা পণ্যের শুল্ক দ্বিগুণ করে দিচ্ছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরের অধিকাংশ ক্রেন ও ফর্কলিফট অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দরের মালামাল খালাস প্রক্রিয়া। আমদানিকারকরা বন্দর থেকে সময়মতো তাদের পণ্য খালাস করতে না পারায় বন্দরে সৃষ্টি হয়েছে পণ্যজট। বন্দরের গুদাম থেকে পণ্য বের করার পর নতুন পণ্য ঢোকাতে হচ্ছে। স্থান সঙ্কুলান না হওয়ার কারণে পণ্যবোঝাই ট্রাক বন্দরের অভ্যন্তরে দাঁড়িয়ে থাকছে দিনের পর দিন। ট্রাক থেকে পণ্য নামানোর অনুমতি মিললেও ক্রেন মিলছে না। ফলে জায়গা ও ক্রেন সংকটে বিপাকে পড়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বন্দর ব্যবহারকারীদের মেশিনারিসহ ভারি মালামাল লোড-আনলোডের সময় দিনের পর দিন অপেক্ষা করে থাকতে হয় সিরিয়াল দিয়ে।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনার মো. শওকাত হোসেন জানান, আমাদের উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি বেড়েছে। যে কারণে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তা ছাড়া আমদানি বাড়ানোর জন্য আমরা সব ধরনের সহযোগিতা ব্যবসায়ীদের দেয়ার চেষ্টা করছি। যাতে তারা হয়রানি ছাড়া পণ্য আনতে পারেন। বেনাপোলকে আরও গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা যৌথভাবে কাজ করছি।

এ ব্যাপারে যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ও আমদানিকারক মিজানুর রহমান খান বলেন, অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা পণ্য আমদানি বেশি করে থাকেন। কেননা এ সময় ব্যবসার জন্য ভালো সময় থাকে। বিশেষ করে গাড়ি আমদানি বেশি হয়ে থাকে। তা ছাড়া কাস্টম শুল্কহার বাড়ানোর কারণে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলেও ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, সরকার শুল্কহার যৌক্তিক করলে আমদানির হার আরও বাড়তে থাকবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত এক্সপ্রেস শিপমেন্ট কুরিয়ার
• পাঁচ বছরে স্থলবন্দরের আয় দ্বিগুণ
• চট্টগ্রাম বন্দরে ১১ লাখ কেজি ফল নিলামে
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters