পোশাক শ্রমিকদের জন্য বাংলাদেশকে অনেক কিছু করতে হবে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট [ শেষের পাতা ] 16/06/2017
পোশাক শ্রমিকদের জন্য বাংলাদেশকে অনেক কিছু করতে হবে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট
বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিকদের শোষণ রোধে বাংলাদেশকে আরো অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। গত বুধবার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এক প্রস্তাবনায় বাংলাদেশকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের বড় অংশই কম বয়সী নারী। এসব শ্রমিককে অনিশ্চিত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সময়জুড়ে কাজ করতে হয়। অথচ বিনিময়ে তারা পান নিম্ন মজুরি। এছাড়া শ্রমিক সংগঠনের নেতাদেরও প্রায়ই নির্যাতনের শিকার হতে হয়।

রানা প্লাজা ধসের মতো দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৩ সালে যে সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট (চুক্তি) স্বাক্ষরিত হয়েছিল তার বিভিন্ন সাফল্যের কথা উল্লেখ করে ওই প্রস্তাবনায় আরো বলা হয়, এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশে কর্মপরিবেশের সহনীয় উন্নতি হয়েছে। তবে শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়টি এখনো পেছনে পড়ে আছে।

পরিস্থিতি উন্নয়নে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ২০১৩ সালের শ্রম আইন সংশোধন করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে শ্রমিকরা সংগঠন করার স্বাধীনতা ও সামষ্টিকভাবে দরকষাকষির সুযোগ পাবেন। সেই সঙ্গে আরো কারখানা পরিদর্শক নিয়োগ দিতে হবে। ২০১৮ সালে শেষ হতে যাওয়া অ্যাকর্ডের চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হবে। সেই সঙ্গে কারখানায় সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা নীতি গ্রহণ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে দেশের পোশাক শিল্প খাতের মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করে ইউরোপীয় ক্রেতাজোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি (অ্যাকর্ড) এবং উত্তর আমেরিকাভিত্তিক অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স সেফটি (অ্যালায়েন্স)। অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের এ উদ্যোগ শুরুর সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, এ মূল্যায়ন কার্যক্রমের সময়সীমা হবে পাঁচ বছর। সেই হিসাবে ২০১৮ সালের জুনে এটি শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু সম্প্রতি এ মূল্যায়ন কর্মসূচির পরিধি বৃদ্ধির জন্য শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রচারণা। এ বিষয়ে চারটি আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার সংগঠন গত মাসে একটি স্মারক প্রকাশ করেছে। সেখানে তারা আন্তর্জাতিক শিল্প মূল্যায়ন চুক্তির পরিধি বৃদ্ধির আনুষ্ঠানিক দাবি তুলেছে। সুনির্দিষ্ট করে তারা অ্যাকর্ডের আওতাধীন বিদ্যমান কারখানার সঙ্গে নতুন কারখানা যুক্ত করার ইঙ্গিতও দিয়েছে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• ঈদের ছুটিতেও সচল থাকবে দুই শতাধিক শিল্প-কারখানা
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters