বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জেটিসি বৈঠকে সিদ্ধান্ত পাঁচ বছরে বাণিজ্য দ্বিগুণ হবে [ পাতা-১২ ] 11/08/2017
বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জেটিসি বৈঠকে সিদ্ধান্ত পাঁচ বছরে বাণিজ্য দ্বিগুণ হবে
বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড যৌথ বাণিজ্য কমিশনের (জেটিসি) বৈঠকে আগামী পাঁচ বছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ করার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দুই বিলিয়ন ডলার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী।

গতকাল বৃহস্পতিবার সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জেটিসি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দুই বাণিজ্যমন্ত্রী। বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অপরদিকে থাইল্যান্ডের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী আপিরাদে তানট্রাপর্ন। গত বুধবার ঢাকায় চতুর্থ জেটিসি বৈঠক শুরু হয়। এতে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেটিসির পরবর্তী বৈঠক থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠক এবার ৪ বছর পরে হলেও আগমী বৈঠক ২ বছর পরে করার বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। গতকাল এ বৈঠকে থাইল্যান্ড থেকে দশ লাখ টন চাল আমদানির বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়।

অনুষ্ঠানে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে থাইল্যান্ডে তৈরি পোশাক, পাটপণ্যসহ ৩৬টি পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি ও মৎস্য খাতে প্রযুক্তি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বৈঠকে দুই দেশ এফটিএ করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে বিএসটিআইয়ের মান সনদে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন তোফায়েল আহমেদ। এতে উভয় দেশ সম্মত হলে সমঝোতা চুক্তি সই হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশটির উদ্যোক্তাদের এ দেশের একটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ডের শতাধিক কোম্পানির এ দেশে দেড় বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে। আপিরাদে তানট্রাপর্ন বলেন, বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ বাড়াবেন থাইল্যান্ডের উদ্যোক্তারা।

দেশের চাহিদা অনুযায়ী থাইল্যান্ড থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১০ লাখ টন চাল আমদানি করতে একটি সমঝোতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। এ চুক্তির আওতায় ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটি থেকে এ চাল আমদানি করতে পারবে বাংলাদেশ সরকার। জেটিসি বৈঠকে চাল আমদানির চুক্তিতে সই করেছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও থাইল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী আপিরাদে তানট্রাপর্ন।

অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই আমদানি করা হবে। এটা ১ লাখ টনও হতে পারে, ৫ লাখ টনও হতে পারে। দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করা হবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• ঝুঁকি ও চাপের মুখে সামষ্টিক অর্থনীতি
• বিশ্বব্যাংকের নারী উদ্যোক্তা তহবিলে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের অনুদান
• আমদানি নীতি আরও সহজ চায় এফবিসিসিআই
• বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে তিনগুণ
• আমদানি নীতিমালা আরও সহজ চায় এফবিসিসিআই
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters