নারীর ডায়াবেটিসে সচেতনতা জরুরি [ যাপিত সময় ] 15/11/2017
নারীর ডায়াবেটিসে সচেতনতা জরুরি
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তবে একেবারে ভালো হয় না। ডায়াবেটিসের কারণে রক্তনালি, হৃৎপি-, চোখ, কিডনি, স্নায়ু ইত্যাদিতে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। নারীদের ডায়াবেটিস হলে আরও বাড়তি কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই ডায়াবেটিস হওয়ার আগেই প্রতিরোধ জরুরি।

নারীদের ডায়াবেটিস বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ২০ কোটি নারী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এ রোগে বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর প্রায় ২১ লাখ নারীর মৃত্যু হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীর করোনারি হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা, ডায়াবেটিস নেইÑ এমন নারীর তুলনায় ১০ গুণ বেশি। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীর প্রতি ৫ জনের মধ্যে ২ জনই সন্তান জন্মদানে সক্ষম বয়সী নারী। গর্ভবতী নারীদের ডায়াবেটিস থাকলে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। গর্ভের সন্তানের জন্মগত ত্রুটি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের কারণে প্রতি ৭ জন সন্তানের মধ্যে ১ জন এমন জটিলতার শিকার হয়। গর্ভকালীন যেসব নারীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকে, তাদের প্রায় অর্ধেকেরই বয়স ৩০ বছরের কম। যেসব নারীর গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয়, তাদের প্রায় ৫০ শতাংশই পরবর্তীকালে ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা যায়। এ জন্য মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। শিশু বয়স থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। গর্ভাবস্থায় চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে গিয়ে নিয়মিত চেকআপ করিয়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস আছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ধরা পড়লে শুরুতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি ও জীবনযাপনের অভ্যাস গঠনে পরিবারের নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। তাদের এসব বিষয়ে স্বাস্থ্যশিক্ষা দিতে হবে। শরীর যেন বেশি মোটা হয়ে না যায়, সে জন্য খাবার-দাবারে সচেতন হতে হবে। খাবারে তেল-চর্বি-চিনি থাকবে কম, পূর্ণ দানাশস্য খাবার (যেমনÑ গমের আটা, ডাল, শিমের বিচি) এবং ফলমূল ও শাকসবজি থাকবে বেশি। কিশোরী ও নারীদের শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের সুযোগ ও পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে হবে। তাদের হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচদিন হাঁটতে হবে। এ ছাড়া দৈনন্দিন কাজেও যেন কিছুটা ব্যায়াম হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• হেলথ টিপস : হৃদযন্ত্রের সুস্থতা পরীক্ষার উপায়
• নিয়মিত হাঁটুন সুস্থ থাকুন
• ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় শিম
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters