কারখানা সংস্কারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে [ শিল্প বাণিজ্য ] 14/12/2017
কারখানা সংস্কারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে
গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকের নিরাপত্তার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারে বাংলাদেশ অনেক অগ্রগতি করেছে। বেশিরভাগ সংস্কারকাজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু এ অগ্রগতি নিয়ে আত্নতৃপ্তিতে ভুগলে চলবে না। অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের সংস্কার কাজের অগ্রগতির এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। সেই সঙ্গে শ্রম অধিকারের বিষয়ে এখনো চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। বাংলাদেশে আইএলও’র (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা) কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিভাস বি রেড্ডি এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিতে যাচ্ছেন তিনি। এ উপলক্ষ্যে গতকাল গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশের অগ্রগতির মূল্যায়ন তুলে  ধরে তিনি বলেন, পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশই ক্রেতাদের  বড় আস্থার জায়গা। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এগিয়ে যেতে তেমন কোন হুমকি নেই। তবে সংস্কারের বিষয়ে দুই ক্রেতাজোট অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।  আইএলও এতে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

রেড্ডি বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর এ দেশের পোশাক খাতের নিরাপত্তা উন্নয়নে অবিশ্বাস্য ঐক্য তৈরি হয়েছে। এখন অনেক দেশ বাংলাদেশকে অনুকরণ করতে চায়। যদিও অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের উপস্থিতি অনেকেই ভালো চোখে দেখেনি। পণ্যের ডিজাইনে নতুনত্ব আনতে গবেষণায় মনোযোগ  দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, মৌলিক পণ্য উত্পাদন থেকে উচ্চ মূল্যের পোশাকে যেতে হবে। এজন্য মূল্য চেইনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। ইতিমধ্যে এদেশের অনেক কারখানা এ কাজ শরু করেছেন। এছাড়া একই প্রতিষ্ঠানের অধীনে পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার উপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ছোট-মাঝারি কারখানাকে উত্পাদনে ধরে রাখা বাংলাদেশের পোশাক খাতের এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, কমপ্লায়েন্সের শর্তে সমাধান হিসেবে প্রয়োজনে সাবকন্ট্রাক্ট (ঠিকা কাজ) আদলে কাজ করার সুযোগ অবারিত করা যেতে পারে। তবে যথাযথ কাঠামো মেনে কমপ্লায়েন্সের শর্ত প্রতিপালনের শর্ত দেওয়া যেতে পারে।

শ্রম অধিকার পরিস্থিতিকে এ বাংলাদেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর। তার মতে, নিরপত্তা মানের উন্নয়ন হলেও শ্রমিক অধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। শ্রমিকদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কেবল সংকটকালের সংলাপ নয়, নিয়মিত সামাজিক সংলাপ হওয়া প্রয়োজন। শ্রমিকরা যাতে তাদের কথা বলতে পারেন। এতে আস্থার সংকট কাটবে।
 
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Today's Other News
• ঢাকায় আজ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন
• সিটি অর্থনৈতিক অঞ্চল চূড়ান্ত সনদ পেল
• অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে উপরের সারিতে বাংলাদেশ
• বাংলাদেশের বিনিয়োগ রাজধানী হবে মিরসরাই ইকোনমিক জোন
• প্রকল্প তদারকিতে প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে আইএমইডি
• এশিয়ায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে দক্ষিণ এশিয়া
• ৩৮ দেশের ৭০০ বিনিয়োগকারী নিয়ে বেপজার সম্মেলন আজ
• ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
• চলতি বছরে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ : আইএমএফ
• অর্থনৈতিক সাফল্যে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ
More
Related Stories
News Source Link
            Top
            Top
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters