[ ] 11/01/2017
 
আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব ২৪ জানুয়ারি থেকে
‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামী স্বপ্ন’ স্লোগানে ২৪ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে দশম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। আয়োজক চিলড্রেন’স ফিল্ম সোসাইটি বাংলাদেশ।
ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুরে এ উৎসব চলবে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি। দেশের ১১টি ভেন্যুতে ৫৪টি দেশের দুই শর বেশি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সব প্রদর্শনী শিশু-কিশোর ও অভিভাবকদের জন্য উন্মুক্ত।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উৎসব পরিচালক মোহাম্মদ আবীর ফেরদৌস। সঞ্চালনা করেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুনিরা মোরশেদ মুন্নী। বক্তব্য দেন চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম।
ঢাকায় উৎসবের মূল কেন্দ্র হবে কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তন। উদ্বোধনের দিন ছাড়া প্রতিদিন মোট চারটি প্রদর্শনী হবে—সকাল ১১টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৬টায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ২৪ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে ও শওকত ওসমান মিলনায়তনে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত উৎসবের উদ্বোধন করবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। সভাপতিত্ব করবেন উৎসব উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান মুস্তাফা মনোয়ার।
এবারও উৎসবের আকর্ষণীয় দিক হলো বাংলাদেশি শিশুদের নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। এ বিভাগে নির্বাচিত ২১টি চলচ্চিত্র দেখানো হবে। এসবের মধ্যে পাঁচটিকে পুরস্কারের জন্য বাছাই করা হবে। পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হবে। সেরা ছবি বাছাইয়ের জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের জুরি বোর্ডের সবাই শিশু-কিশোর।
ইয়াং বাংলাদেশি ট্যালেন্ট—এ বিভাগটি এবারও থাকছে। এ বিভাগের প্রতিযোগিতায় ১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ নির্মাতারা অংশ নেবেন। সোস্যাল ফিল্ম সেকশনে জলবায়ু বিষয়ক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে উৎসব কমিটির মনোনীত বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের ২০টি চলচ্চিত্র স্থান পাবে।
এবারই প্রথম বিভিন্ন দেশের শিশুদের বানানো চলচ্চিত্র নিয়ে একটি প্রতিযোগিতা বিভাগ রাখা হয়েছে। একটি চলচ্চিত্রকে পুরস্কার দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের উৎসবে প্রায় ১৫ জন বিদেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন।