[ শেষের পাতা ] 02/03/2017
 
হেলথ টিপস : শিশুদের ভাইরাস জ্বর হলে
রাতে হালকা শীত, দুপুরে হালকা গরম, সব মিলিয়ে এখন অন্যরকম আবহাওয়া। ঠাণ্ডা ও গরম মিলিয়ে এ সময়টা শিশুরা একটু বেশিই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরকম আবহাওয়ায় শিশুরা ঠাণ্ডা জ্বর বা ভাইরাস সংক্রমিত জ্বরে আক্রান্ত হয়। যা সাধারণত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলেই এ সময় বাড়ির ছোট সদস্যদের নিরাপদে রাখা যায়। এ সময় শিশুরা দিনের বেলায় ঘামে আর সেই ঘাম গায়েই শুকিয়ে যায়। এ থেকেও শিশুদের ঠাণ্ডা লাগে। এই ঠাণ্ডা থেকেই আবার সর্দি কিংবা ভাইরাসজনিত জ্বর হতে পারে। সর্দি কিংবা ভাইরাসজনিত জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করতে হবে। অনেক েেত্রই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা নেমে যাবে। জ্বরের সময় যতটা সম্ভব শিশুকে বিশ্রামে রাখতে হবে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে। এ ছাড়া মওসুমি ফলের পাশাপাশি লেবুর রস বা লেবুর শরবত খাওয়ানো যেতে পারে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন : আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই খাওয়ানো যাবে না। জ্বরে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের সঙ্গে মেলামেশায় সাবধান করে দিতে হবে। যেখানে সেখানে কফ, থুথু বা সর্দি ফেলা যাবে না। এতে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। স্বাস্থ্যকর, খোলামেলা, শুষ্ক পরিবেশ, যেখানে আলো-বাতাস বেশি এমন কে শিশুকে রাখতে হবে। অধিকাংশ সময়েই এ ধরনের ভাইরাস জ্বর তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। জ্বর কমানোর জন্য প্রাথমিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্যারাসিটামল জাতীয় সিরাপ দেয়া যেতে পারে।