[ ] 17/04/2017
 
দর্শক আগ্রহ বাড়ছে আইপিএলে
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এবারই পা রেখেছে তার দশম বছরে। আর ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি এই মাইলফলকে এসে উন্মাদনার নতুন নজির স্থাপন করল।

ইতোমধ্যেই গতবারের তুলনায় ‘ভিউয়ারশিপ’ বা দর্শক আগ্রহ বেড়েছে ৪০ শতাংশ! গত সাত এপ্রিলের হিসেবে আইপিএলের দশম আসরে এখন পর্যন্ত ৮৮.৩ মিলিয়ন দর্শকের রেকর্ড পাওয়া গেছে, যেটা গত বছরে ছিল ৬৩.১ মিলিয়ন। দর্শক সংখ্যার হিসাবে প্রথম তিন ম্যাচে হিসেব করা হয়েছে ১৮৫.৭ মিলিয়ন, যা গত মৌসুমের তুলনার প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি।

তবে এই তুলনাটা পরিমাপক সিস্টেমের বদলের কারণে শতভাগ সঠিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব নয়। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল সনির জন্য এটা অনেক বড় একটি অর্জন বলেই ধরা হচ্ছে।

শুরুর প্রথম থেকেই এই চ্যানেলটি আইপিএলের অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার হিসেবে পাশে আছে। চ্যানেলটির জন্য আরো সুখবর হচ্ছে, গতবারের তুলনায় প্রতি ম্যাচে মিনিট হিসেবেও বেশি সময় ব্যয় করছে টিভি দর্শকরা।

গত মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচে যেখানে একজন দর্শক গড়ে সময় ব্যয় করেছিলেন ৪৬ মিনিট, এবারের আইপিএলে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ মিনিটে। ভিউয়ারশিপ বিবেচনায় এখন পর্যন্ত সফল এই মৌসুমের আইপিএল।

এদিকে সাবেক ভারতীয় নারী ক্রিকেটার শুভাঙ্গী কুলকার্নি নারী ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা আইপিএলের দাবি জানিয়েছেন। এমসিসির সদস্যপদ পাওয়া শুভাঙ্গী বলেন, ‘আমরা মেয়েদের খেলার পরিধি বাড়ানোর জন্য মেয়েদের জন্যও আইপিএলের আয়োজন করতে পারি। টুর্নামেন্ট চালানোর জন্য যথেষ্ট ক্রিকেটার আমাদের রয়েছে। আমার মনে হয় মেয়েদের আইপিএল আরো ১০ বছর আগে থেকেই শুরু করা উচিত ছিল। বিনোদনের সঙ্গে সঙ্গে নাম, টাকা, যশ মিলিয়ে এক আকর্ষণীয় টুর্নামেন্ট হবে এটা।’

মেয়েদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ধারণা অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগেই মেয়েদের জন্য আলাদা বিগ ব্যাশ আয়োজন করে নজির সৃষ্টি করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। এবার কি সেই পথেই হাঁটবে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)? সময়ই এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেবে।

তবে, নারী ক্রিকেটারদের আয়ের বিকল্প পথের খোঁজেই তাদের জন্য আইপিএল আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন শুভাঙ্গী। তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে আমাদেরকেই টাকা জোগাড় করতে হতো ট্যুরে যাবার ব্যাপারে। মানুষ যতটা না সমর্থন দিতে আসত, তার থেকে বেশি আসত কৌতূহল নিয়ে। আমি অনেক খুশি হবো যদি বর্তমানের মেয়েরা ক্রিকেট থেকে টাকা আয়ের পথ খুঁজে পায়।’—ক্রিকট্র্যাকার।