[ শিল্প বাণিজ্য ] 14/12/2017
 
শেয়ারবাজারে দরপতন ব্যাংকিং খাত ঘিরে
ব্যাংকিং খাত ঘিরে শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হযেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ২৭ পয়েন্ট কমেছে। সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪০৬ কোটি টাকা। যা আগেরদিন ছিল ৪৪৩ কোটি টাকা। অর্থাত্ গতকাল লেনদেন কমেছে প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩৩৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর  বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১৭৬টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২২৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৭৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আর ডিএস৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে নেমে এসেছে ২ হাজার ২৫১ পয়েন্টে। অন্যদিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৩০ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৯ হাজার ২৫৬ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭১টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টির শেয়ার দর।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গতকাল বাজারে ব্যাংকিং খাতে দরপতনের ফলে গোটা বাজারেই এর প্রভাব পড়েছে। কারণ এ খাতের মূলধন ও শেয়ার বেশি হওয়ায় বাজারে এ খাতের প্রভাব বেশি। গত কয়েকদিন ধরে বাজারে দর পতনের কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক সপ্তাহ আগেও বাজারে সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এখন কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে। তাছাড়া ডিসেম্বর মাসে সব সময়ই বাজারে কিছুটা শেয়ার বিক্রির প্রবণতা থাকে। এ সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অর্থ বছর শেষ হওয়ায় তাদের শেয়ার বিক্রির চাপ দেখা দেয়। তাই এ সময় কিছুটা দরপতন হয়। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।