[ শিল্প বাণিজ্য ] 14/12/2017
 
ছয় মাসের মধ্যে ডিএসইর সর্বনিন্ম লেনদেন
শেয়ারবাজারে বুধবার আবারও বড় দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সব কটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। ডিএসইতে লেনদেন কমে ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে এদিন মোট ৪০৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত ১৩ জুনের পর সর্বনিম্ন। এদিন ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২৭ পয়েন্ট। আগের দিন এ সূচকটি বেড়েছিল ৫৪ পয়েন্ট। আর সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৬০ পয়েন্ট। আগের দিন সূচকটি বেড়েছিল ১০৭ পয়েন্ট। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২২৪ পয়েন্টে। অপর দু’টি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২৫১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭৫ পয়েন্টে। এদিন বাজারটিতে লেনদেন হওয়া ১০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ১৭৬টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টির দাম। টাকার অংকে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার হাতবদল হয়েছে ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার। আর ৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিএসআরএম।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- সিটি ব্যাংক, লিগ্যাসি ফুটওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, ওয়াইম্যাক্স, মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, ব্র্যাক ব্যাংক এবং বেক্সিমকো ফার্মা।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৬০ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৬৪২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে এদিন ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩০ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে আগের দিনের তুলনায় ৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। অপরদিকে কমেছে ১৩২টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম।